ভিআইপি হলে আসলে কী পরিবর্তন হয়?
অনেকেই ভাবেন ভিআইপি মানে শুধু কিছু বাড়তি বোনাস। কিন্তু bajjevip-এ ভিআইপি হওয়া মানে পুরো বেটিং অভিজ্ঞতাটাই আলাদা হয়ে যাওয়া। ছোট ছোট জায়গায় যে পার্থক্যগুলো তৈরি হয়, সেগুলো মিলিয়ে একটা বড় সুবিধায় দাঁড়ায়।
প্রথম যে জিনিসটা চোখে পড়ে সেটা হলো ক্যাশব্যাক। সিলভার থেকে শুরু হয় ৫% দিয়ে, আর ডায়মন্ডে গিয়ে দাঁড়ায় ২০%-এ। ধরুন আপনি সপ্তাহে ৫০,০০০ টাকার বেট করলেন এবং সেই সপ্তাহে নেট লস হলো ৮,০০০ টাকা। প্লাটিনাম ভিআইপি হলে সেই লসের ১৫%, মানে ১,২০০ টাকা আপনি ফেরত পাবেন। এটা ছোট শোনালেও দীর্ঘমেয়াদে অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করে।
দ্বিতীয় পার্থক্যটা উইথড্রয়াল স্পিডে। সাধারণ সদস্যদের উইথড্রয়ালে ৫–১০ মিনিট লাগতে পারে। কিন্তু ডায়মন্ড ভিআইপিদের ক্ষেত্রে এটা মাত্র ১ মিনিটেরও কম। রাতের ১২টায় বড় জয়ের পর টাকা হাতে পেতে আর অপেক্ষা করতে হয় না।
তৃতীয় সুবিধা হলো ব্যক্তিগত ম্যানেজার। প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা একজন নির্দিষ্ট ম্যানেজার পান যিনি শুধু আপনার অ্যাকাউন্ট দেখাশোনা করেন। কোনো সমস্যা হলে সাধারণ কাস্টমার কেয়ারের লাইনে দাঁড়াতে হয় না, সরাসরি ম্যানেজারকে মেসেজ দিলেই কাজ হয়।
বুস্টেড অডস — ভিআইপিদের জন্য আলাদা লাইন
bajjevip-এর গোল্ড বা তার উপরের টিয়ারের সদস্যরা নির্বাচিত ম্যাচে বুস্টেড অডস পান। সাধারণ অডস যেখানে ১.৮৫, ভিআইপিদের জন্য সেটা ২.০০ বা তারও বেশি হতে পারে। একটা বড় ম্যাচে এই পার্থক্যটা বেশ উল্লেখযোগ্য হয়ে দাঁড়ায়।